SL3 Program
SL3 Program

SL3 Program

HM Nayem
HM Nayem

SL3 Program - Stack Learner Language Learning Program

প্রোগ্রামিং শেখার জার্নিটা সচরাচর অনেক বৃহৎ এবং ভুলে ভরা হয়ে থাকে। যেই যাত্রা পথে আমরা বার বার হোঁচট খাই, বার বার থেমে যাই এবং একটা কথাই ভাবি যে আমার পক্ষে প্রোগ্রামিং শেখা সম্ভব না। আবার কিছু দিন পরে নতুন করে শুরু করি, কারণ মনের কোনো একটা কোণে প্রোগ্রামার হওয়ার স্বপ্নটা বেঁচেই থাকে। না পারলেও একেবারে হেরে যেতে মন সাঁয় দেয় না।

প্রোগ্রামিং শেখার রিসোর্স গুলোর ভিতরে সব থেকে সহজলভ্য হচ্ছে টিউটোরিয়াল ভিডিও, ব্লগ বা বই। যে গুলো সাধারণতই আমাদেরকে প্রোগ্রামিং শেখায় না, শেখায় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। এবং আমরা খুশি মনে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখতে শিখতে ভাবি কত ভালো প্রোগ্রামার হয়ে যাচ্ছি আমি। কিছু দিন পরেই যখন প্রোগ্রামিং এর জ্ঞান গুলোকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর সময় আসে তখন কোনো ভাবেই আমাদের অংকের হিসেব মেলে না। টিউটোরিয়ালে যখন দেখেছিলাম তখন তো ভালোই বুঝেছিলাম, অন্য প্রোগ্রামারের কোড দেখলেও তো বুঝতে পারি, কিন্তু একটা প্রব্লেম দিলে আমি কোনো ভাবেই এর আগা মাথা গোঁড়া খুঁজে বের করে আনতে পারি না। মাথা পুরো হ্যাং হয়ে যায়, তার পরেও কোনো কূল কিনারা করে উঠতে পারি না। প্রব্লেমটা এক্স্যাক্ট কোথায়?

প্রব্লেমটা হচ্ছে আপনি ডিসপেনসারির দোকানদার হতে পেরেছেন। ডাক্তার এখনো হতে পারেন নি। আপনি কয়েকটা কমন রোগের ওষুধ ঠিকই দিতে পারেন। ডাক্তারের হাতের লেখাও আপনি ভালোই বুঝতে পারেন। তাই ডাক্তার কোনো আনকমন রোগের ওষুধ লিখলে আপনি মনে মনে ভাবেন আরে এটা তো আমিও জানতাম এই ওষুধ এই কাজ করে, আমার মাথায় কেন আসলো না? ভাইয়া ডিসপেনসারির দোকান দেওয়ার ট্রেনিং নেওয়ার পরে আপনি জ্বর, কাশি, পেটে ব্যাথার ওষুধ তো ঠিকই দিতে পারবেন কিন্তু বড় কোনো রোগের ওষুধ দেওয়ার জন্য আপনাকে ডাক্তার হতে হবে।

আসলে দোষটা আপনার বা আমার কারোরই না। আপনি তো ভালো প্রোগ্রামার হওয়ার জন্যই ল্যাংগুয়েজ শেখা শুরু করেছিলেন। আপনি কি জানতেন প্রোগ্রামিং আর প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক বিষয় না। অবশ্যই জানতেন না, এমনকি অনেকেই এই লেখাটা পড়ার সময় জানতে পারবে এই বিষয়টা। প্রোগ্রামিং হচ্ছে একটা মাইন্ডসেট। যেকোনো সমস্যা সমাধান করার মাইন্ডসেট, বাস্তব জীবনের সমস্ত সমস্যাকে কম্পিউটারের নজরে দেখার মাইন্ডসেট, সব কিছুকে ডেটা এবং অপারেশনে বিভক্ত করার মাইন্ডসেট। আর প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে একটা অস্ত্র যা ব্যবহার করে আপনার মাইন্ডসেটটা আপনি কম্পিউটারের কাছে তুলে ধরতে পারেন। কম্পিউটারের সাথে কমিউনিকেট করতে পারেন।

সবাই, এমনকি আমিও প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শেখা নিয়ে কথা বলে থাকি। কারণ এটা নিয়ে কথা বলা সহজ। কয়েকটা মাত্র সিনট্যাক্স, অল্প কিছু রুলস ব্যাস প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শেখা শেষ। কিন্তু প্রোগ্রামিং? এটা নিয়ে সারা বিশ্ব রিসার্স করছে। বড় বড় ইউনিভার্সিটি, কোম্পানি বিভিন্ন উপায় খুঁজে বের করছে। উপায় গুলো কিছুটা ফল প্রসূ হচ্ছে, কিন্তু শতভাগ নিশ্চিত করে কেউ কোনো সমাধান দিতে পারছে না। তো সেই হিসেবে আমরাও পারবো না এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমরা বসে না থেকে চেষ্টা করতে পারি। এবং আমরা চেষ্টা করেছি।

আমরা একটা প্রোগ্রামিং এবং প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ লার্নিং ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করেছি। যার নাম আমরা দিয়েছি SL3 Program, মানে Stack Learner Language Learning Program. আমরা যেই থিওরিতে প্রোগ্রামিং শেখার কথা বলছি সেই থিওরিটা সবার জন্য উন্মুক্ত এবং সেই থিওরিটা এই পোস্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। এর ভালো দিক খারাপ দিক সবই তুলে ধরার চেষ্টা করবো। আর এই থিওরি ব্যবহার করে আমাদের লাইভ সেশন, গাইডেন্স, মেন্টরিং এবং রিসোর্স ব্যবহার করে যদি শিখতে চান তাহলে আপনার কিছু টাকা খরচ করতে হবে। এবং এই লিংকে ক্লিক করে আপনি SL3 Program এ কিভাবে জয়েন করবেন সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন।


Learn Programming with Our Guidance - SL3 Program
SL3 Program - প্রোগ্রামিং এবং প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শেখার ৬ মাসের একটি প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আপনাকে প্রোগ্রামার হিসেবে গড়ে তোলা। আসলে প্রোগ্রামার আপনাকেই হতে হবে, আমরা শুধু আপনাকে সঠিক গাইডলাইন প্রোভাইড করতে পারবো।
Join Today & Get 25% Off

SL3 Framework

আমরা প্রোগ্রামিং এবং প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শেখার প্রোসেসটাকে দুই ভাগে ভাগ করেছি। প্রথমভাগে আমরা প্রোগ্রামিং কে প্রাধান্য দিয়েছি, আর দ্বিতীয় ভাগে আমরা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শেখার প্রোসেস নিয়ে আলোচনা করেছি।

প্রোগ্রামিং কি?

প্রোগ্রামিং কে সংজ্ঞায়িত করাটা আমার কাছে খুব কঠিন মনে হয়। কারণ আর সবার মতো আমি বলতে চাচ্ছি না যে প্রোগ্রামিং হচ্ছে কম্পিউটারকে ইন্সট্রাক্ট করার একটা প্রোসেস। আমার কাছে প্রোগ্রামিং কে এর থেকে আরও অনেক বেশি কিছু মনে হয়। আমার কাছে মনে হয় প্রোগ্রামিং মানে মিউজিক। একজন শিল্পী গান গায়, তার সাথে সাথে আরও অনেকেই বিভিন্ন বাদ্য যন্ত্র হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গা থেকে একটা নির্দিষ্ট সুরে বাদ্য যন্ত্র বাজাতে থাকে, আর শিল্পী সেই সুরের তালে গান গায়। যদি একজনও কোনো একটা সুর ভুল করে তাহলে পুরো টিম কিন্তু ভুল করতে বাধ্য হবে। আমার কাছে এটাই প্রোগ্রামিং।

প্রোগ্রামিং কে কল্পনা করতে আপনি রিয়েলিটি শো এর একদল ড্যান্সারের কথা চিন্তা করতে পারেন। মিউজিক এর তালে তালে সবাই কি সুন্দর একে অন্যের সাথে নেচে যাচ্ছে, কোনো রকম কেউ ভুল করছে না। What an Execution!

আবার আপনি হলিউড মুভির পিছনে থাকা ডিরেক্টরের কথা চিন্তা করতে পারেন। এত এত এক্টর, লাইট ক্যামেরা কোথায় কি সেট হবে, ব্যাক গ্রাউন্ড কেমন হবে, কস্টিউম কি হবে, সিনের পিছনে মিউজিক কি হবে, ফাইটিং একশন কেমন হবে, সে গুলো কিভাবে এডিট করা হবে, VFX, Cinematography, Color Grading কোথায় কি হবে, এ সব কিছু এক জনের নির্দেষে হচ্ছে। তার যেই মাইন্ডসেট সেটা আমি বলবো প্রোগ্রামিং।

আমার কাছে প্রোগ্রামিং হচ্ছে একটা মাইন্ডসেট। যেই মাইন্ডসেট ব্যবহার করে আপনি একটা সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান খুঁজে বের করেন। মাসের শেষে পকেটে ৩০ টাকা থাকলে কিভাবে এই ৩০ টাকায় একটা দিন পার করা যায় তার সমাধান খুঁজে বের করাই আমার ভাষায় প্রোগ্রামিং। সারা মাস পড়াশোনা না করে পরীক্ষার আগের রাতে ইতিহাস ঘেঁটে কালকের পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন খুঁজে বের করাকেই আমি প্রোগ্রামিং বলবো। সত্যি কথা বলতে আপনি আমি সবাই প্রোগ্রামার, কারণ আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের জীবনের অসংখ্য সমস্যার সমাধান করছি। একটা সমস্যা সমাধান করার মাইন্ডসেট আমাদের আগে থেকেই আছে। এখন শুধু দরকার এই মাইন্ডসেট ব্যবহার করে কম্পিউটারের প্রব্লেম সল্ভ করা। যেই মাইন্ডসেট কম্পিউটারের প্রব্লেম সল্ভ করার কাজে ব্যবহৃত হয় সেটাই হচ্ছে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং। একজন ভালো কম্পিউটার প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য আমাদের প্রথমেই বুঝতে হবে আসলে কম্পিউটার কি এবং কম্পিউটার আসলে কি ধরনের প্রব্লেম সল্ভ করে থাকে। যখন আমরা কম্পিউটারের ক্ষেত্রটা বুঝতে পারবো তখন আমাদের জন্য কম্পিউটার প্রোগ্রামার হওয়াটা অনেক সহজ হয়ে যাবে।


কিভাবে কম্পিউটার প্রোগ্রামার হব?

আমরা প্রোগ্রামার হওয়ার প্রসেসটাকে ৮ টা স্টেপে ভাগ করেছি। প্রথমে এই ৮ টা স্টেপ সম্পর্কে জানা যাক, তারপরে প্রতিটা স্টেপ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে।

  1. Recreate Mindset
  2. Understand The Purpose of Computer
  3. Understand The Purpose of Programming Language
  4. Finding Real Life Problems That Computer Can Solve
  5. Break Down The Problems Into Multiple Parts
  6. Write Down The Possible Solution Into Pseudo Code
  7. Finding Similar Problems
  8. Implement The Pseudo Code Into Computer Programming Language

আটটা পয়েন্ট বলা শেষ, কিন্তু আমার মনে হয়না আপনারা শতভাগ সঠিক ভাবে আমরা যা বোঝাতে চেয়েছি তা বুঝতে পেরেছেন। চলুন এবার একটু ভেঙ্গে চূড়ে বোঝা যাক।


Stack Consultancy - Your Confusion Stack Solution
Stack Consultancy is a platform where you can share your problems with us. The one to one consultancy will be conducted by our experience and high professional consultant. And for students, it is free for always. We will analyze your problem. After that, we will provide the best possible guideline f…
100% Free Consultancy For Beginners

1. Recreate Mindset:

এই পয়েন্টটা শুধু তাদের জন্যই যাদের ভিতরে আগে থেকে কিছু জ্ঞান রয়েছে। জ্ঞান বলতে আমি বোঝাতে চাচ্ছি ছন্ন ছাড়া টুকরো টুকরো জ্ঞান। এখান থেকে একটু, ওখান থেকে একটু এভাবে সঞ্চয় করা জ্ঞান। আমাদের দেশের একটা কালচার হচ্ছে প্রোগ্রামিং, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ না শিখে সরাসরি ফ্রেমওয়ার্ক কেন্দ্রিক চিন্তা করা। যেখানে ফ্রেমওয়ার্ক সমাধান দিতে পারছে না, সেখানে গুগল করে অন্যের সমাধান খুঁজে বের করা। ডেভেলপমেন্ট করতে এসে প্রোগ্রামিং সম্পর্কে জানতে পারা আমাদের দেশের জন্য খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। যদি আপনার এই রকম মাইন্ডসেট থাকে তাহলে এই মাইন্ডসেটের বাইরে বের হয়ে আসতে হবে।

আমি বলছি না সারা জীবনের জন্য বের হয়ে আসতে হবে। যেহেতু এখন আপনি প্রোগ্রামিং শিখতে চাচ্ছেন, যেহেতু আপনি আপনার মানুষিক উন্নতি চাচ্ছেন, সেহেতু আপনাকে কিছু কিছু আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। তার ভিতরে প্রথম হচ্ছে আপনাকে ব্ল্যাংক মানে ফাঁকা হয়ে যেতে হবে। ব্রেইনে কিছুই থাকা যাবে না। একটা কথার সাথে আপনারা হয়ত সবাই পরিচিত, "অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী"। আমাদের সেতু ভাই একটা কথা বলে, "ট্রেন খুব পাওয়ারফুল একটা বাহন। কিন্তু আমরা ট্রেন ঠেলে নিয়ে যেতে পারবো না। আমরা ঠেলা গাড়ি ঠেলে নিয়ে যেতে পারবো"।

নিজের ব্রেইনকে ফাঁকা করে নতুন যাত্রার জন্য প্রস্তুত করাটাই হচ্ছে আপনার প্রথম স্টেপ। প্রোগ্রামিং শেখার সময় অনেকেই আপনাকে সাজেশন দিতে পারে অন্য কিছু শেখার জন্য। কিন্তু আমাদের সাজেশন হচ্ছে - না, আর কোনো কিছুই শিখবেন না। নিজেকে মাল্টিটাস্কার প্রমাণ করে কোনো লাভ নেই। বরঞ্চ ভালো ভাবে সিঙ্গেল টাস্কার প্রমাণ করাটা জরুরি। একটা সময় একটাই কাজ করবেন। যখন প্রোগ্রামিং শিখতে আর ভালো লাগবে না তখন ব্রেইনকে বিশ্রাম নেওয়ার সময় দেন। কি শিখলেন সেটা মনে করার চেষ্টা করেন। চোখ বন্ধ করে কল্পনা করেন কম্পিউটার স্ক্রিন, প্রব্লেম, তার সমাধান।


2. Understand The Purpose of Computer

কম্পিউটারের কাজটা যে আসলে কি, মানে কম্পিউটার আমরা কেন ব্যবহার করি সেই প্রশ্নের উত্তর যদি আমাদের জানা থাকে তাহলেই প্রোগ্রামার হওয়ার যাত্রাটা অনেক সহজ হয়ে যায়। নিচের অংশ পড়ার আগে আপনি নিজে একটু চিন্তা করুন তো যে কম্পিউটারের আসল কাজ কি?

কম্পিউটারের কাজ কি এই প্রশ্ন আমি অনেকের কাছেই করেছি। এই প্রশ্নের সহজ এবং প্রেডিক্টেবল একটা উত্তর আমি সবার কাছ থেকেই পেয়েছি। আর সেটা হচ্ছে প্রব্লেম সল্ভ করা। আপনি ও নিশ্চয় এখন এই কথাটিই ভাবছিলেন। যদি এটা ভেবে থাকেন তাহলে আপনার কাছে আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন হচ্ছে কম্পিউটার কি প্রব্লেম সল্ভ করে থাকে?

যখন আমি দ্বিতীয় প্রশ্নটি করি তখন মানুষ সাধারণত একটু ঘাবড়ে যায় এবং কিছুটা সময় নিয়ে বলে বাস্তব জীবনের সমস্যা গুলো কম্পিউটার সমাধান করে থাকে। বাস্তব জীবনের কোন সমস্যা কম্পিউটার সমাধান করে? আমার বাসার ওয়াশরুমের পানির পাইপটা নষ্ট হয়ে গেছে, কম্পিউটারকি এটা সেরে দিতে পারবে? গত দুই দিন ধরে আমি আমার চার্জারটা খুঁজে পাচ্ছি না, কম্পিউটারকি সেটা খুঁজে দিতে পারবে? নাকি আমার রুমের লাইটটা ঠিক করে দিতে পারবে? দুই দিন ধরে জ্বলছে আর নিভছে।

না, এই সমস্যা গুলোর কোনোটাই কম্পিউটার সমাধান করতে পারবে না। তাহলে কম্পিউটার কিভাবে বাস্তব জীবনের সমস্যার সমাধান করতে পারলো?

যদি সহজ কথায় কম্পিউটারের কাজটা বোঝাতে চাই তাহলে বলতে হবে এর কাজ ডেটা স্টোর করা, প্রয়োজনের সময় দ্রুত ডেটা খুঁজে বের করে আমাদের দেখানো এবং প্রয়োজন শেষে ডেটাটা রিমুভ করে দেওয়া। এর বাইরে কম্পিউটারের আর কোনো কাজ নেই। এখানে ডেটা বলতে যেকোনো ইনফরমেশন বোঝানো হচ্ছে। আমরা সারা মাস কিভাবে চলবো মাসের শুরুতেই খাতা কলমে একটা বাজেট তৈরি করি। এই বাজেট খাতা কলমে না করে আমরা কম্পিউটারে করতে পারি। তাহলে হিসেব নিকেশে অনেক সহজ হবে যাবে। খাতা কলমে কাজ করলে যেমন একটা ইনফরমেশন খুঁজে বের করতে অনেক সমস্যা হবে, ঠিক একই সাথে হিসেব নিকেশ গুলোও আমাদের করতে হবে। কম্পিউটারের ক্ষেত্রে এই কাজ গুলো আমাদের করতেই হবে না, বরঞ্চ সমস্ত কাজ অনেক দ্রুত হবে।

একটা সময় আমরা ডিকশনারি কিনতাম ইংরেজি ভাষার অনুবাদ খোঁজার জন্য। একটা শব্দের অনুবাদ খুঁজতে অনেক বেশি সময় লাগতো। কিন্তু এখন আমরা শব্দটা লিখে সার্চ করলেই মুহুর্তের মধ্যে তার অনুবাদ আমাদের সামনে চলে আসে।

ছোট বেলা থেকে দেখে আসছি ক্লাস টিচার ক্লাসরুমে প্রবেশ করেই উপস্থিতির খাতাটা খুলে বসেন। এবং কলম দিয়ে টিক চিহ্ন দিয়ে কে এসেছে আর কে আসেনি মার্ক ডাউন করেন। যদি বছর শেষে একজন স্পেসিফিক ছাত্রের রোল নাম্বার দিয়ে তাকে খুঁজে বের করতে বলা হয় সে কয় দিন আসে নি, এক্স্যাক্ট কোন কোন তারিখে আসেনি তাহলেই কিন্তু টিচারের মাথা খারাপ হয়ে যাবে। কিন্তু এই কাজটাই কম্পিউটার তুড়ি মেরে করে দিতে পারবে।

আপনি সিম্পল গুগল সার্চ থেকে শুরু করে যত বড় অ্যাপলিকেশন বা গেম আপনার আশে পাশে দেখতে পারছেন বা কল্পনা করতে পারছেন, একটু ভালো করে খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন সব জায়গাতেই কিছু ডেটা আমরা ক্রিয়েট করছি, প্রয়োজন শেষে ডিলিট করছি অথবা ডেটাটা ব্যবহার করছি।

পাবজি এর মতো বিরাট বড় গেমের কথায় চিন্তা করা যাক। এখানে কি হচ্ছে? মুহুর্তের ভিতরে হাজার হাজার ডেটা ক্রিয়েট হচ্ছে এবং ডিলিট হচ্ছে। এখানে আপনাকে যেই ক্যারেক্টার দ্বারা রিপ্রেসেন্ট করা হচ্ছে সেটা একটা ডেটা। এই ক্যারেক্টারের কাছে যেই গানটা আছে সেটা একটা ডেটা, গান থেকে যখন বুলেট বের হচ্ছে সেটা একটা ডেটা, বুলেট বের হওয়ার পরে যেই শব্দটা হচ্ছে সেটা একটা ডেটা, বুলেটটা এক জায়গা থেকে আর একজায়গায় চলে যাচ্ছে মানে ডেটার পজিশন আপডেট হচ্ছে। এবং গুলিটা যখন এনিমির গায়ে লাগছে মানে, এনিমির পজিশন এবং বুলেটের পজিশন সেম হচ্ছে তখন এনিমি ডেটাটা ডেস্ট্রয় হয়ে যাচ্ছে। ডেটা ডেটা আর ডেটা।

ফেসবুকে প্রতিদিন পোস্ট, স্টোরি, ভিডিও, লাইক, কমেন্টের বন্যা। হাজার হাজার শেয়ার করে যে কাউকে ভাইরাল বানায়ে দিচ্ছেন। এই পোস্ট, স্টোরি, ভিডিও, লাইক, কমেন্ট, শেয়ার সব কিছুই হচ্ছে ডেটা। ফেসবুকের মতো এত বড় কোম্পানি শুধু বসে বসে ডেটা ম্যানিপুলেট করছে আর ডেটা ম্যানেজ করছে।

আমাদের কম্পিউটার তো একটা বোকা, গাধা। আমার লেখা প্রথম বইটাতে আমি বলেছিলাম এটা একটা বোকা বাক্স। আমরা যে কম্পিউটারকে ব্যবহার করে এত কিছু করছি তা যদি এই বোকা বাক্সটা জানতো তাহলে নিশ্চিত আমাদের কাছে ট্যাক্স চেয়ে বসত। কারণ আমরা কম্পিউটার ব্যবহার করে যাই করি না কেন কম্পিউটারের কাছে শুধু এত টুকু ইনফরমেশনই যাচ্ছে যে কারেন্ট পাস করবো নাকি করবো না। মানে ০ এবং ১।

যেহেতু কম্পিউটারের কাজ শুধু ডেটা স্টোর করা, প্রয়োজনের সময় ডেটা রিট্রাইভ করা এবং প্রয়োজন না হলে ডেটা ডেস্ট্রয় করে দেওয়া, তাই আমরা যা কিছু কাগজে কলমে রিপ্রেসেন্ট করতে পারি ঠিক তাই আমরা কম্পিউটারে রিপ্রেসেন্ট করতে পারবো। একবারে প্রথম দিনেই আপনি পাবজি বানানোর চিন্তা করেন না, তাহলে ব্যাপারটা একটু বেশি বেশি হয়ে যাবে। সহজ কাজ দিয়ে শুরু করেন। যেমন বাজারের লিস্ট, ক্লাসের সকল শিক্ষার্থীদের ইনফরমেশন, ফোন ডিরেক্টরি, সিম্পল নোটস, আপনার টাকা পয়সার হিসেব এই ধরনের যেই কাজ গুলো আপনি কাগজে কলমে করেন সেই কাজ গুলোকে প্রথমে কম্পিউটারে রূপান্তরের চেষ্টা করতে হবে। ছোট ছোট এই কাজগুলো করতে থাকলে কিছু দিন পরে আপনি বড় বড় সমস্যারও সমাধান করতে পারবেন।


3. Understand The Purpose of Programming Language

প্রোগ্রামিং হচ্ছে একটা মাইন্ডসেট, যেই মাইন্ডসেট একটা সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করবে। সমস্যা সমাধানের সব থেকে ভালো উপায় হচ্ছে খাতা কলম। খাতা কলমে আপনি যা খুশি হিজিবিজি আঁকবেন, লিখবেন এবং সমস্যার সমাধান করবেন। কিন্তু এই সমাধান তো কম্পিউটার বুঝবে না। কম্পিউটারকে বোঝানোর জন্য কম্পিউটারের ভাষা লাগবে। আর এই ভাষাকেই আমরা বলছি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ।

আমরা বেশির ভাগ সময় ব্যয় করি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শেখার পিছনে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমরা এর আসল উদ্দেশ্য বুঝতে পারি না। শিখেই যায় শিখেই যায় এবং শিখেই যায়। কোথায় থামতে হবে, কত টুকু শিখতে হবে, কিভাবে বাস্তব প্রয়োগ করতে হবে তার কোনো কিছুই আমরা জানি না। কিন্তু শিখতে থাকি। যার ফলে কিছু দিন পরে আবার বিরক্তির শিকার হই।

আসলে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ কত টুকু শেখা উচিত, কত টুকু শিখতে পারলে বাস্তব প্রয়োগ করা যাবে তার এক্স্যাক্ট ইনফরমেশন দেওয়াটা খুব কঠিন। আপনি যত বেশি জানবেন, তত আপনার জন্য ভালো। কিন্তু প্রয়োগ না বুঝতে পেরে ল্যাংগুয়েজের অনেক কিছু শিখে ফেলেও কোনো লাভ নেই। আবার প্রয়োগ করার জন্য প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এর খুব বেশি জ্ঞানেরও দরকার নেই।

প্রোগ্রামিং ফান্ডামেন্টালসঃ প্রোগ্রামিং ফান্ডামেন্টালস বলতে মূলত সেই টপিক্স গুলোকে বোঝানো হয় যেগুলো ব্যবহার করে আপনি খাতা কলমে একটা সমস্যার সমাধান করতে পারেন। এবং এই ফান্ডামেন্টাল টপিক্স গুলো প্রতিটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজেই এক। যেমনঃ ভ্যারিয়েবল, ডেটা টাইপ, অপারেটরস, কন্ডিশন, লুপ, অ্যারে, ফাংশন। বাস্তব জগতের যেকোনো সমস্যা সমাধান করার জন্য এই কয়েকটা টপিক্সই যথেষ্ট। এই টপিক্স গুলো শেখার পরে আপনি যদি কোনো অনলাইন জাজে প্রব্লেম সল্ভিং শুরু করেন তাহলেই আপনার বেস ধীরে ধীরে গড়া শুরু হবে।

অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংঃ যখন আপনি প্রোগ্রামিং এবং প্রব্লেম সল্ভিং এর সাথে মোটামুটি কম্ফর্টেবল হয়ে যাবেন তখন আপনার কাজ হচ্ছে অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং নিয়ে স্টাডি করা। ছোটো খাটো সমস্যা সমাধানের জন্য মূলত অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ব্যবহৃত হয় না। বাস্তব জীবনের বড় বড় সমস্যা গুলো যখন আমরা সমাধান করার কথা চিন্তা করি তখন আমাদের দরকার হয় অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং। এবং এটা শুধুমাত্র একটা থিওরি। কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের ফিচার না।

ফাংশনাল প্রোগ্রামিংঃ ফাংশনাল প্রোগ্রামিং টা আর একটু অ্যাডভান্সড কনসেপ্ট। সব ল্যাংগুয়েজ আবার এই প্যারাডাইমটা সাপোর্টও করে না। তবে ফাংশনাল প্রোগ্রামিং বর্তমান বিশ্বে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। তাই সময় সুযোগ বুঝে এর কনসেপ্ট বুঝে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের কাজ মূলত কম্পিউটারের সাথে কথা বলা, আমরা যেই সমস্যাটার সমাধান খাতা কলমে করলাম তা কম্পিউটারের কাছে পৌঁছে দেওয়া। ডেটা ক্রিয়েট করে কম্পিউটারে স্টোর করা, প্রয়োজনের সময় ডেটা রিট্রাইভ করা এবং প্রয়োজন না থাকলে ডেটা রিমুভ করে দেওয়া। এত এত হিজিবিজি সব ফাংশনালিটিস শুধু মাত্র এই কাজেই ব্যবহৃত হচ্ছে।


4. Finding Real Life Problems That Computer Can Solve

আমরা আগেই জেনেছি কম্পিউটার সব সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। কম্পিউটার শুধু সমাধান করতে পারবে খাতা কলমে যেই সমস্যা গুলোর সমাধান করা যায় সেই গুলো। তাহলে আমরা খাতা কলম ব্যবহার করে কি কি সমস্যার সমাধান করে থাকি? সেটা খুঁজে বের করতে পারাটা অনেক বড় একটা কাজ। এবং আপনাকে এই কাজটা করতে হবে একজন ভালো প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য। ভালো প্রব্লেম সল্ভার হওয়ার আগেই আপনাকে একজন ভালো প্রব্লেম ফাইন্ডার হতে হবে।


5. Break Down The Problems Into Multiple Parts

একটা সমস্যা খুঁজে পাওয়ার পরে সেই সমস্যাটাকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে। তারপরে সমস্যাটাকে টুকরো টুকরো করে ভেঙ্গে ফেলতে হবে। যত ছোট অংশে বিভক্ত করা যায় করতে হবে। কিন্তু ভাঙ্গতে হবে। তারপরে এই ছোটো অংশ গুলো মানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সমস্যা গুলোকে এক এক করে সমাধান করতে হবে। পরে সেটা কিভাবে জোড়া লাগাবেন তা প্রথমেই জানার দরকার নেই। কিন্তু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করতে জানতে হবে।


6. Write Down The Possible Solution In Pseudo Code

প্রোগ্রামিং প্রব্লেম সল্ভ এর কথা আসলেই আমরা কম্পিউটার খুলে বসে পরি। কিন্তু এটা একটা খারাপ প্রাকটিস। আমাদেরকে প্রথমে সমস্যাটা ভালোভাবে বুঝতে হবে। তারপরে তার সমাধান নিয়ে চিন্তা করতে হবে। সম্ভাব্য সমাধান খাতায় স্টেপ বাই স্টেপ লিখতে হবে। যখন আমাদের মনে হবে যে না, আমরা সমাধান করে ফেলেছি তখন কম্পিউটারে মুভ করতে হবে। কম্পিউটারে কোড করার পরে ইরোর আসতে পারে। ইরোর দেখে ভয় পাওয়া যাবে না। বরঞ্চ ইরোর না আসলে ক্ষতি।


7. Finding Similar Problems

একটা সমস্যা সমাধান করার পরে এই একই রকম আরও 5-10 টা সমস্যা খুঁজে বের করতে হবে। যদি আপনি এই একই ধরনের সমস্যা খুঁজে না পান তাহলে ধরে নিবেন আপনি এখনো কনসেপ্ট টা বুঝতে পারেন নি। আবার নতুন করে শুরু করতে হবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি এই রিলেটেড আরও 5-10 টা সমস্যা খুঁজে পাচ্ছেন এবং সমাধান করছেন ততক্ষণ আপনি পরবর্তী পদক্ষেপে যেতে পারবেন না।


8. Implement The Pseudo Code Into Computer Program

সব শেষে আপনি আপনার Pseudo কোড বা খাতায় লেখা হিজিবিজি সল্যুশন কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ব্যবহার করে সমাধান করবেন। যখন কম্পিউটার প্রোগ্রামিং করবেন তখন অনেক নতুন নতুন নাম সামনে আসবে। সেই নাম গুলোকে খাতায় নোট করে রাখবেন। পরবর্তীতে সেই বিষয় গুলো নিয়ে আপনাকে রিসার্স করতে হবে।

প্রোগ্রামিং মেইনলি একটা থট প্রোসেস। আর প্রোগ্রামিং স্কিল বৃদ্ধি করতে চাইলে নিজের চিন্তা শক্তিকে ডেভেলপ করতে হবে। চিন্তা শক্তি ডেভেলপ করার একমাত্র উপায় হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে চিন্তা করা। আর এই কাজটাকে সহজ করার জন্য আপনি বিভিন্ন রকম IQ গেম খেলতে পারেন। IQ গেম গুলো আপনাকে বিভিন্ন ভাবে চিন্তা করতে বাধ্য করবে। এবং আপনার চিন্তা শক্তির ডেভেলপ হবে।


Learn Programming with Our Guidance - SL3 Program
SL3 Program - প্রোগ্রামিং এবং প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শেখার ৬ মাসের একটি প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আপনাকে প্রোগ্রামার হিসেবে গড়ে তোলা। আসলে প্রোগ্রামার আপনাকেই হতে হবে, আমরা শুধু আপনাকে সঠিক গাইডলাইন প্রোভাইড করতে পারবো।
Join Today & Get 25% Off

প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ কি?

প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ মূলত একটা টুল যা ব্যবহার করে আপনার চিন্তাকে কম্পিউটারের কাছে রিপ্রেসেন্ট করবেন। এখানে ল্যাংগুয়েজ কিন্তু যে কোনো ল্যাংগুয়েজ হতে পারে। আমাদের ভিতরে একটা বদ্ধমূল ধারণা কাজ করে যে ল্যাংগুয়েজ শেখা খুব কঠিন। যার কারণে আমরা সবসময় একটা ল্যাংগুয়েজ কেন্দ্রিক চিন্তা করি। প্রথম যেই ল্যাংগুয়েজটা শিখি সেটা নিয়েই পরে থাকতে চাই। কিন্তু আপনি যখন সত্যিকার অর্থে প্রোগ্রামিং কে বুঝতে পারবেন তখন আপনার কাছে ল্যাংগুয়েজ কোনো বিষয়ই হবে না। ল্যাংগুয়েজ বলতে কিছু সিনট্যাক্স আর স্পেসিফিকেশন ছাড়া আর কিছুই না যা আপনার চিন্তাকে কম্পিউটারের কাছে রিপ্রেসেন্ট করবে।


কিভাবে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখবো?

যে কোনো কিছু শেখার সিস্টেম এক একজনের কাছে এক এক রকম। আমি যে ভাবে শিখি আপনি চাইলেও সহজে সেভাবে শিখতে পারবেন না। আবার আপনি যেভাবে শিখেন সেটাও আমি সহজে আয়ত্ত করতে পারবো না। কেউ টিউটোরিয়াল দেখে শিখতে পছন্দ করে, কেউ বই বা আর্টিকেল পড়ে শিখতে পছন্দ করে, কেউ হাতে কলমে দেখে শিখতে পছন্দ করে, কেউ আবার ইন্সট্রাক্টর বা যে কাউকে ফলো করে শিখতে পছন্দ করে। এটা আগে থেকে বলে দেওয়া খুব কষ্টকর যে আপনি কিভাবে শিখবেন। তবে তারপরেও স্ট্যান্ডার্ড বলে একটা বিষয় থাকে এবং আমরা এখানে আমাদের রিসার্স থেকে পাওয়া সারমর্মটাই আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাচ্ছি।

  1. Find The Way To Implement Our Pseudo Code
  2. Find Similar Topics And Syntax
  3. Write Down What You Have Learned
  4. Try To Teach Yourself In A Better Way
  5. Force Yourself To Find More And More Examples
  6. Explore Documentation
  7. Invest Time To Recap And Learn Properly
  8. Repeat Yourself Again And Again

1. Find The Way To Implement Our Pseudo Code

যখন আমাদের কাছে একটা সমস্যার সমাধান মানে Pseudo Code আছে তখন আমরা এত টুকু নিশ্চিত যে আমরা একটা সমস্যার সমাধান নিয়ে চিন্তা করা শিখে গিয়েছি। কিন্তু সেই সমাধানটা আমাদের খাতায় থাকলে চলবে না, সেটাকে প্রয়োগ করতে হবে, কম্পিউটারের কাছে সমাধানটা পৌঁছে দিতে হবে। আর এই কাজটা করার জন্য আমাদের দরকার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ।

এইক্ষেত্রে আমি একবারে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখে আসার পক্ষপাতী না। আমার সমস্যাটা সমাধানের জন্য যতটুকু দরকার ঠিক ততটুকুই আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করবো। এই ক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন টিউটোরিয়াল, বই বা ডকুমেন্টেশনের সাহায্য নিতে পারি। যখন আমরা Pseudo Code লেখার যোগ্যতা অর্জন করবো তখন আমি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি যে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে বেসিক কি কি কাজ আছে তা আমরা জানবো। আর তারপরেও যদি না জানেন সেই ক্ষেত্রে একজন মেন্টরের সাহায্য নিতে পারেন।

আমাদের টার্গেট থাকবে যে কোনো ভাবেই হোক প্রব্লেমটা কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ব্যবহার করে সমাধান করা। এবং সমাধান করার পরে আমাদের ল্যাংগুয়েজটা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। কেন আমি কি লিখলাম? কারণ ভবিষ্যতেও আমাদের এই রকম কোড লেখার প্রয়োজন হতে পারে। তাই ভালো ভাবে আমি কি লিখলাম শ্বেতা বুঝতে পারাটা খুবই জরুরি।


2. Find Similar Topics And Syntax:

একটা সমস্যা সমাধান করার পরে যেমন কিভাবে সমাধান করলাম সেটা ভালো ভাবে এক্সপ্লোর করা জরুরি ঠিক একই ভাবে এর সাথে রিলেটেড আর কি বিষয় বস্তু আছে সেটা খুঁজে বের করাটাও জরুরি। উদাহরণ সরূপ আমরা দুইটা নাম্বার যোগ বিয়োগ করার একটা প্রোগ্রাম তৈরি করলাম। এখানে আমরা ভ্যারিয়েবল সম্পর্কে জানতে পারলাম, আরও জানতে পারলাম ইন্টিজার টাইপের ডেটা সম্পর্কে। ইন্টিজার নাম্বার স্টোর করার জন্য যেমন আমরা ইন্টিজার ডেটা টাইপ ব্যবহার করছি তাহলে অন্য সব ডেটার জন্য কি ব্যবহার করবো? আর কি কি টাইপের ডেটা আমি স্টোর করতে পারবো? এই বিষয় গুলো একবারেই আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। এর সাথে সাথে আমরা যোগ বিয়োগ করতে পারলাম? কি হবে যদি আমরা গুণ ভাগও করতে চাইতাম? অথবা কি হবে যদি আমরা দুইটা নাম্বার কে বড় কে ছোট সেটা বের করতে চাইতাম? এই যোগ বিয়োগ গুণ ভাগকে আমরা বলছি অপারেটর। তাহলে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে আর কি কি অপারেটর আছে?

যখন একটা টপিক্স আমরা শিখবো, তখন এই রিলেটেড আরও অসংখ্য টপিক্স আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করবো। সেগুলো তখন কাজে লাগলেও শিখে রাখবো, কাজে না লাগলেও শিখে রাখবো। কারণ এই বিষয় গুলো পরবর্তীতে আমাদের কাজে লাগতে পারে।


Stack Consultancy - Your Confusion Stack Solution
Stack Consultancy is a platform where you can share your problems with us. The one to one consultancy will be conducted by our experience and high professional consultant. And for students, it is free for always. We will analyze your problem. After that, we will provide the best possible guideline f…
100% Free Consultancy For Beginners

3. Write Down What You Have Learned:

লেখালেখি করা শেখার খুবই গুরুতপূর্ণ একটা মাধ্যম। ছোট বেলা থেকেই আমরা শুনে আসছি, দেখে আসছি একটা পড়া শেষ হলে হবে না। সাথে সাথে লিখে ফেলতে হবে যেন ভুলে না যায়। প্রোগ্রামিং এর ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা সমান ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আপনি একটা সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে কি কি শিখলেন, কি কি জানলেন পুরো এক্সপেরিয়েন্সটা যদি লিখে ফেলেন তাহলে ওই বিষয়টা ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা একদম কমে যাবে। আর যদি কোনো কারণে ভুলেও যান তারপরেও আপনার কাছে লিখিত দলিল রয়েছে। যেখান থেকে আপনি পরবর্তীতে ভুলে গেলেও দেখে নিতে পারবেন।

আর একটা বিষয় শেখা, শেখার পরে ইমপ্লিমেন্ট করা আর তারপরে বিষয়টাকে, এক্সপেরিয়েন্সটাকে নোট ডাউন করা কিন্তু একটা কঠিন কাজ। যখন আপনি গুছিয়ে লিখতে যাবেন তখন দেখবেন আরও অনেক বিষয় আপনার ক্লিয়ার হয়ে যাচ্ছে। এই লেখা গুলো আপনি আপনার কাছে রাখতে পারেন, আবার ব্লগ বানিয়ে পাব্ললিকলি প্রকাশও করে দিতে পারেন। যেন আপনার সাথে সাথে আরও দশজন মানুষের উপকার হয়। সাথে যদি আপনার লেখা মানুষের পছন্দ হয় ভবিষ্যতে এখান থেকে ভালো একটা অর্থও উপার্জন করা সম্ভব।


4. Try To Teach Yourself In A Better Way:

কোনো কিছু শেখার সব থেকে বড় উপায় হচ্ছে অন্যকে শেখানো। যদি আপনি কাউকে একটা কনসেপ্ট শেখানোর মতো ক্ষমতা রাখেন তার মানে আপনি ওই কনসেপ্টটা পুরোপুরি ভাবে বুঝতে পেরেছেন। কিন্তু সব সময় আপনি শেখার মানুষ পাবেন না যাকে আপনি শেখাতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে আমাদের সমাধান হল নিজেই নিজের শিক্ষক হতে হবে।

আমি একটা কথা সব সময় বলি, যখন আমি একজন স্টুডেন্ট তখন আমাকে চিন্তা করতে হবে একজন টিচারের মতো। আমাকে চিন্তা করতে হবে কিভাবে আমি আমার স্টুডেন্টকে সব থেকে সহজে বিষয়টা শেখাতে পারি। আর যখন আমি একজন টিচার তখন আমাকে চিন্তা করতে হবে একজন স্টুডেন্ট এর মত করে। তার জায়গা থেকে সমস্যা গুলো অনুধাবন করতে হবে। তার মনে কি প্রশ্ন আসতে পারে, কি কনফিউশন কাজ করতে পারে এই বিষয় গুলো বুঝতে হবে এবং সেই অনুযায়ী শেখাতে হবে। যদিও এই ক্ষেত্রে আমিই টিচার, আমিই স্টুডেন্ট।

আমাকে স্যাটিস্ফাইড হতে হবে। একজন টিচার হিসেবেও আমাকে স্যাটিস্ফাইড হতে হবে এবং একজন স্টুডেন্ট হিসেবেও আমাকে স্যাটিস্ফাইড হতে হবে। যদি দুইটা কাজই আমি ভালো ভাবে করতে পারি তাহলেই একটা বিষয় আমি সব থেকে ভালো ভাবে বুঝতে পারবো।


5. Force Yourself To Find More And More Examples:

একটা সমস্যা যদি ভালো ভাবে অনুধাবন করা যায় তাহলে ওই একই ধরনের সমস্যা আরও খুঁজে পেতে মোটেও বেগ পেতে হয় না। একটা সমস্যা সমাধান করার পরে ওই একই ধরনের আরও অসংখ্য সমস্যা খুঁজে বের করতে হবে। শুধু খুঁজে বের করতে পারলেই হবে না, ওই সমস্যা গুলোরও সমাধান করতে হবে। তাহলে একটা কনসেপ্ট খুব ভালো ভাবে মাথার মধ্যে বসে যাবে। প্রব্লেম সল্ভার হওয়ার আগে একজন ভালো প্রব্লেম ফাইন্ডার হওয়া জরুরি।


6. Explore Documentation:

শেখার সময় আমরা একটা বড় রিসোর্স সব সময় মিস করে যায় আর সেটা হচ্ছে যেকোনো ল্যাংগুয়েজের অফিশিয়াল ডকুমেন্টেশন। আমি জানি ডকুমেন্টেশন পড়ে শেখাটা একজন বিগিনারের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য একটা বিষয়। তবে অসম্ভব কিছু না।

শেখার শুরুতেই আমরা কিছু ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারি, কিছু আর্টিকেল বা বই পড়তে পারি। এর পরে যখন মনে হবে যে বিষয়টা মোটামোটি বোঝা যাচ্ছে তখন আমরা এর অফিশিয়াল ডকুমেন্টেশনটা ফলো করতে পারি। এতে করে একটা ফিচার বা ফাংশনের সব কিছু সম্পর্কে আমাদের একটা ভালো ধারণা তৈরি হবে।

আমাদের অনেকের ভিতরেই একটা ভয় কাজ করে যে আমি কতটুকু শিখলাম আর কতটুকু বাকি থেকে গেলো। অফিশিয়াল ডকুমেন্টেশন পড়া শুরু করলে এই কনফিউশন আর থাকবে না। কারণ যেটা অফিশিয়াল ডকুমেন্টেশনে নেই, সেটা আর কোথাও নেই। একটা টেকনোলজির ভিতরে যা যা ফিচার আছে সব কিছুই আপনি পাবেন তার ডকুমেন্টেশনে। তাই একটা বিষয় শেখার পূর্ণতা আসবে যখন আমরা এর ডকুমেন্টেশন পড়বো এবং ভালো ভাবে বুঝতে পারবো।


7. Invest Time To Recap And Learn Properly:

প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের টার্মস গুলো খুব কঠিন না। অল্প কিছু সময় ব্যয় করলেই কনসেপ্ট গুলো বোঝা যায়। আর আমরা সাধারণত এখানেই ধোঁকাটা খায়। কনসেপ্ট গুলো কঠিন না হলেও এর প্রয়োগ খুঁজে পাওয়াটা বেশ কষ্টকর একটা বিষয়। অনেকটা সময় নিয়ে অনেক গুলো সমস্যার সমাধান না করলে যেমন কনসেপ্ট গুলো মাথায় থাকে না, ঠিক একই ভাবে পরবর্তীতে একটা সমস্যা সামনে আসলে কোনো ভাবেই মাথায় আসে না যে এই সমস্যাটা সমাধান করার জন্য ল্যাংগুয়েজের কোন ফিচারটা কাজে লাগবে।

তাই যখন যেটা শিখবেন সময় নিয়ে শিখবেন। প্রথম বারেই সব কিছু শিখে যেতে হবে না। প্রয়োজন বোধে দশবার একই টপিক্সে ফিরে আসবেন, আবার শুরু থেকে শিখবেন। কিন্তু প্রথমবার যখন শিখবেন তখন একটু সময় নিয়েই শিখবেন। এক্সপ্লোর করার চেষ্টা করবেন তার দুনিয়া। কোনো কিছু শিখতে সময় বেশি লাগছে এটা সমস্যা না, সমস্যা বার বার ভুলে যাওয়া এবং আবার শুরু থেকে শুরু করা।


8. Repeat Yourself Again And Again:

এতক্ষণ যেই কথা গুলো বললাম সেই গুলোকে বার বার রিপিট করতে হবে। প্রতিটা টপিক্স, প্রতিটা ফিচার শেখার সময় রিপিট করতে হবে। মনে রাখবেন, এটা আপনার জীবনের এককালীন একটা ইনভেস্টমেন্ট। একবার ভালো ভাবে প্রোগ্রামিং শিখতে পারলে সারা জীবন আর চিন্তা করতে হবে। কম্পিউটার জগতে যা চাইবেন তাই করতে পারবেন। এত বড় একটা ক্ষমতা তো আর এমনি এমনি অর্জন হয়ে যাবে না। তার জন্য ধৈর্য্য ধরতে হবে, পরিশ্রম করতে হবে। ব্যক্তি ভেদে এই ক্ষমতা অর্জন করতে ৩ মাস থেকে ৩ বছর সময় লেগে যেতে পারে। তবে একা এই যাত্রা পথ পারি দিতে চাইলে সময় একটু বেশি লাগবে। আর যদি কোনো মেন্টর থাকে তাহলে সময় কিছুটা কম লাগবে। তবে চেষ্টা করলে খুব কম সময়েই আপনি ভালো একজন প্রোগ্রামার হতে পারবেন।

যদি আমাদের এই প্রোগ্রামিং এবং প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শেখার মাধ্যমটা আপনাদের ভালো লাগে, মানে SL3 Program এর কনসেপ্টটা ভালো লাগে তাহলে আশা করবো সবাই আপনার বন্ধু, ছোট ভাই, বড় ভাই নির্বিশেষে সবার সাথে এই লেখাটি শেয়ার করবেন। আর আপনি যদি আমাদের গাইডেন্সে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখতে চান তাহলে নিচের লিংকে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে নিতে পারেন, আসন সংখ্যা কিন্তু সীমিত।


Learn Programming with Our Guidance - SL3 Program
SL3 Program - প্রোগ্রামিং এবং প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শেখার ৬ মাসের একটি প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আপনাকে প্রোগ্রামার হিসেবে গড়ে তোলা। আসলে প্রোগ্রামার আপনাকেই হতে হবে, আমরা শুধু আপনাকে সঠিক গাইডলাইন প্রোভাইড করতে পারবো।
Join Today & Get 25% Off

Stack School Bootcamps - Our Offline Trainings
Our long-term Bootcamps are designed to qualify you for the international market. Boost Your Base will make your base stronger, Web and UI/UX design will provide the broad view about web designing methodology, front and backend Bootcamp will give the best practical knowledge to prepare you for the p…